খিলাফত হারানোর করুণ ইতিহাস

১৯২৪ সালের ৩মার্চ তুরস্ক থেকে খিলাফাহ’র পতাকা নামিয়ে ফেলে খোদাদ্রোহী ইয়াহুদী বংশভূত সন্তান মোস্তাফা কামাল পাশা। তিনি শুধু খিলাফাহ’র পতাকাই নামান নি সেখানে উড্ডীন করেন কুফরীর পতাকা। আর উম্মাহর কলিজায় বসিয়ে দেন গণতন্ত্র , ধর্মনিরপেক্ষ এবং জাতীয়তাবাদের বিষাক্ত পেরাক। যেই ত বহন করে উম্মাহ পার করে চলছে প্রায় শতাব্দীকাল। তারা সেদিনের খলীফার নির্বাসনের সাথে সাথে অল্লাহর জমিন থেকে বিদায় করে দেয় খিলাফাহ। নানা ষড়যন্ত্র ও অপকৌশলের বদৌলতে মুসলিম উম্মাহর হৃদয় থেকে মুছে দেয় খিলাফাহ, প্রেরণা। ক্ষমতা ও প্রগতিশীলতার নামে রাসুলের উম্মতদের চিন্তায় ঢুকিয়ে দেয় নাস্তিকতার বিষফল। আরব রাষ্ট্র সমুহের মধ্যে প্যান-আরবের মতবাদ তুলে অসংখ্য পুতুল তাবেদার তৈরী করে। মুসলমানদের মধ্যে সৃষ্টি করে আরব অনারবের হিংসাত্মক দেয়াল। মুসলিম উম্মাহর সদস্যরা জানেই না এই পতাকা উড্ডীন করেছিলেন সরকারে দুজাহান সায়্যেদুল মুরসালীন মুহাম্মদ সা.। যেই পতাকার সম্মান মর্যাদা অর্ধ-জাহান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। যেই পতাকা হাতে নিয়ে আল্লাহর রাসুলের জান্নাতী সাহাবীরা অনায়াসে হেসে হেসে জীবন দিয়েছেন। আল্লাহর রাসুল সা. এর কলীজার চারটি অংশ এই পতাকা সমুন্নত করে শাহাদাতের পেয়ালা পান করে, যাদের পরিচয় হয়েছে খোলাফায়ে রাশেদীন আল মাহদিয়্যীন। উম্মাহর সবচেয়ে কঠিন অনৈক্যের সময়ও এই আকাবীরদের পথ কামড়ে ধরে সত্যের পথে অটল অবিচল থাকতে বলেছেন আল্লাহর রাসূল সা.। তিনি সা. বলেছেন, তার সুন্নত ও তার অনুসারী খোলাফায়ে রাশেদীনের পথ যারা ধরে রাখতে পারবে তারা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না এবং ঘোষণা দিয়েছেন আবার নবুওয়্যাতের আদলে খিলাফাহ আসবেই।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s