নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি লেখা।

আসসালামু আলাইকুম …………
মুহতারাম ! আমাদের কিছু নবীন ও অনভিজ্ঞ ভাই
উসামা মিডিয়া নামে একটি প্রজেক্ট হাতে
নিয়েছেন। এই মিডিয়ার মূল কাজ থাকবে মুজাহিদ
শায়েখদের বিভিন্ন অডিও ভিডিও ও রিসালাহর অনুবাদ
পেশ করা। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকের
পরিবেশনা হল মুজাহিদদের গোপনীয়তা সংক্রান্ত
কিছু রচনার অনুবাদ । প্রথমে আমরা আল্লাহর কাছে
সাহায্য চাই। অতঃপর মুজাহিদ ভাইদের কাছে দোয়া ও
নানাবিধ পরামর্শ কামনা করি। বিশেষ করে “গ্লোবাল
ইসলামিক মিডিয়া ফ্রন্ট” ও “আনসারুল্লাহ বাংলা টিম” এর
ভাইদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। আমরা
আমাদের অনুবাদের মূল রেফারেন্স উল্লেখ
করে দিবো ইনশা আল্লাহ।
এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন !
সতর্কতামুলক পদ্ধতিসমূহ বলা হচ্ছে, যাতে করে
যারা জিহাদ ও মুজাহিদদের ভালোবাসেন তারা
গোয়েন্দাদের খবিস নজর থেকে নিরাপদ
থাকেন।
কেননা এই জিহাদের মুহাব্বতকারিরাই হলেন এই
উম্মাতের মূলধন। এবং ভবিষ্যতে তাঁদেরকেই বড়
বড় কাজ আঞ্জাম দিতে হবে। সুতরাং তাঁরা এখন
থেকেই কেন সতর্ক হবেননা?
এখন থেকে যদি তাঁদেরকে সতর্ক না করা হয়,
তাহলে তাঁরা গোয়েন্দাদের নজরে পরে
যাবেন। এবং ভবিষ্যতে যদি কোন কাজ তাঁরা
করতে চান, তাহলে তাও করতে পারবেননা।
কেননা আমদের দুশমন খুবই ধোঁকাবাজ। তাঁর
জিন্দাহ মেছাল হল এই যে, কয়েকদিন পুর্বে
যে পেশওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটলো, তাঁর
গ্রেফতার অভিযানে করাচীর কয়েকটি মাদরাসা
থেকে শতাধিক তালেবে ইলেমকে এই নাপাক
গোয়েন্দারা উঠিয়ে নেয়। এবং অধিকাংশকেই দুই
তিন দিনের মাঝে শহীদ করে লাশ ফেলে
দেয়। এবং পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত
বলে অপপ্রচার চালায়। তাঁদের সকলকে যে
উঠিয়ে নিল তাদের সংবাদ বা তথ্য কি এক দিনেই তাঁরা
জেনে ফেলেছিল? না , বরং তাঁদের ফোন কল
ও অন্যান্য মাধ্যমে তার তাঁদের ব্যাপারে অবগত
হয়। তাঁদের অপরাধ শুধুমাত্র এতটুকু ছিল যে তাঁরা
মুজাহিদদের ভালোবাসতেন। তাঁদের অন্য কোন
অপরাধ ছিলনা।
এই গোয়েন্দারা এভাবেই যারা মুজাহিদদের
ভালোবাসেন, তাঁদেরকে নিজেদের নজরে
রাখে। যখন এই জাতীয় কোন ঘটনা ঘটে, তখন
তার পরবর্তি গ্রেফতার অভিযানে তাঁদেরকে
শহীদ করে দেয়। কেননা তাদের হাত তো ওঁই
পর্যন্তই পৌঁছাতে পারে।
গত বছরের ফেসবুকের রিপোর্ট হল যে,
পাকিস্তান সরকার শুধুমাত্র ছয় মাসে ১৬০ টি
একাউন্টের তথ্য চেয়েছে। ১৬০০ এর অধিক
তথ্য ও একাউন্ট ধ্বংস করার আবেদন করেছে।
এতে আপনারা ধারণা করতে পারেন যে দুশমন
আপনাদের বিরুদ্ধে কত চক্রান্ত করছে।
আপনাদের গাফলতি তাঁদেরকে উপকৃত করবে।
এমনটি যেন না হয় যে আপনাদের শুধু জিহাদের
সাথে মুহাব্বত কারনে তাঁর সাঁজা পেতে হচ্ছে।
এখন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন সতর্কতা অবলম্বন
করবেন কি করবেননা !? আমাদের কাজ হল
শুধুমাত্র সংবাদ পৌঁছে দেওয়া। বাকি আপনাদের ইচ্ছা
যে আজ থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করবেন
এবং এই সকল আলোচনা থেকে উপকৃত হবেন
নাকি জীবনের কোথাও হোঁচট খেয়ে শুধু
আফসোসই করবেন! তখন আফসোস করেও
তো কোন লাভ হবেনা। তাই এখন থেকেই
আপনি সতর্কতাকে জীবনের আবশ্যকীয় অংশ
বানিয়ে নিন। নিঃসন্দেহে আপনাকে এই সতর্কতার
মধ্যেও সবরের স্তরসমূহ অতিক্রম করতে
হবে। ইন্টারনেটের স্পীড কমে যাবে। এবং তা
অবলম্বন করতেও যথেষ্ট সময় ব্যয় হবে।
তবে তা আগামীকাল আফসোস করার চাইতে
উত্তম।
কিন্তু এই বিষয়টিও জেহেনে রাখতে হবে যে,
হেফাজতকারী তো একমাত্র আল্লাহ তাআলাই এবং
তিনিই সর্বদা তাঁর বান্দাকে হেফাজত করে থাকেন।
অত্যাধুনিক টেকনোলজিও মুজাহিদদের কোন
ক্ষতি করতে পারবেনা। কিন্তু আল্লাহ তাআলা
আমাদের জন্য যে উপকরণসমূহ প্রস্তুত করে
দিয়েছেন তা আমাদের অবলম্বন করতে হবে।
অতঃপর আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করবো।
যেখানে মুজাহিদরা অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও
ফ্রান্সে অভিযান পরিচালনা করেন এবং ওসব
দেশের গোয়েন্দারা তাঁদের কেশও স্পর্শ
করতে পারেনা। সেখানে আমাদের দেশের
গোয়েন্দারা তো হল তাঁদের গোলাম। তাঁরা
মুজাহিদদের কোন টিকিটিই বা করতে পারবে! ?
ব্যস! আমরা ভুল যেন না করি। সতর্কতা অবলম্বন
করবো। এবং মূলত আল্লাহর উপর তাওয়াককুল
করবো। তাহলে এই (দুর্দান্ত ! )গোয়েন্দারা
আমাদের কিছুই করতে পারবেনা।
ফেসবুক সংক্রান্ত রিপোর্টে এটাও ছিল যে,
পাকিস্তানী সরকার তাদের কাছে তথ্য তো ভিক্ষা
চেয়েছে। কিন্তু এটা জানায়নি যে তাঁরা ওই
ভিক্ষুকদেরকে তথ্য দিয়েছে কিনা! অবশ্য
হোয়াটসআপ ও ফেসবুক ভারত সরকারকে সাহায্য
করার ঘোষণা দিয়েছে। এবং তাদেরকে তথ্যও
দিবে। সর্বশেষ “ দোয়ায়ে আনাস রাঃ” কে
নিজের মামুল বানিয়ে নিন। “ দোয়ায়ে আনাস রাঃ”
কে দেখার জন্য নিচের লিঙ্কে যান
https://besafer.files.wordpress.com/…9/dua-
anas.png
Windows এর settings থেকে
Location, webcam ইত্যাদি বন্ধ করার
নিয়ম।
Windows 8, 8.1, 10 এ লোকেশন, ওয়েবক্যাম
ও মাইক বন্ধ করুন।
সর্বপ্রথম search এ যান। ওখানে Privacy
settings লিখুন। অতঃপর নিচের ছবিতে যেভাবে
দেখানো হয়েছে, সেভাবে ক্লিক করুন।
অতঃপর settingsকে নিচের ছবির মত করুন। অর্থাৎ
Smart Screen Filter ব্যতীত General এ
সবগুলোকে Off করুন।
Location এ ক্লিক করুন। এবং তাকে Off করুন।
অতঃপর webcam এ ক্লিক করুন। এবং তাকে Off
করুন। যদি আপনি Skype বা এ জাতীয় কিছু ব্যাবহার
করে থাকেন, তাহলে তা শুধু ব্যবহারের সময় On
করুন। অতঃপর Microphone এ ক্লিক করুন। এবং তা
Off করুন।
নোটঃ যারা মুজাহিদদের সাথে যোগাযোগ
রাখেন। এবং মুজাহিদদের সাহায্য সহযোগিতাও
করেন,অর্থাৎ যারা মিডিয়াম বা হাই প্রোফাইলের
লোক, তাঁরা শুধু উপরের পদ্ধতির উপরই ক্ষান্ত
হবেনা। বরং নিজেদের ল্যাপটপের webcam
এ টেপ লাগিয়ে দিবেন। এবং স্পীকারের
স্থানে এয়ারফোন ঠুকাবেন। এবং অপশনে
মাইক সিলেক্ট করবেন। যাতে ল্যাপটপের
মাইক কাজ না করে।
Windows 7 এ এই settings এর পদ্ধতিঃ
সাধারণত Windows 7 এ সিস্টেম বিদ্যমান নেই।
তবে কোন কোন ভার্সনে Location এর
সিস্টেম রয়েছে। তাই প্রথমে Start ক্লিক
করুন। অতঃপর Search এর স্থানে Location লিখুন।
অতঃপর Location and Other Sensors এ ক্লিক
করুন।
যদি Geosense Location Sensor এ Enabled হ্যা
সূচক চিহ্ন বিদ্যমান না থাকে তাহলে তাকে ওভাবেই
রেখে দিন। আর যদি থাকে ,তাহলে হ্যা সূচক
চিহ্নটি উঠিয়ে দিন। অতঃপর Apply এ ক্লিক করুন।
এই অপশনটি Windows 7 এর সকল ভার্সনে
থাকবে এমনটি জরুরী নয়। কোন কোন
ভার্সনে থাকতে পারে।
Link:
https://
besafer.wordpress.com/2015/09/05/180/
আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেননhttps://dawahilallah.ga/showthread.php?806-?????????-?????????-????-?????

Advertisements